শিক্ষার্থীরা খেলার ছলে এবং গল্পের মাধ্যমে শিখবে। তবে এই কারিকুলাম চূড়ান্ত করার আগে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের তৃতীয় কোনো একটি ভাষা শেখানোর কাজ শুরু হচ্ছে বলে জানান তিনি।
প্রাথমিক শিক্ষাকে যুগোপযোগী করতে বড় ধরণের কাঠামোগত পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী:
বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত থাকলেও তা ধাপে ধাপে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করা হবে এবং সম্পূর্ণ অবৈতনিক করা হবে।
মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের ৬৫ হাজার স্কুলে কোনো গার্ড নেই। নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে সরঞ্জাম দিলে তা চুরির ঝুঁকি থাকে। তাই শিক্ষার গোড়া থেকে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।
অনুষ্ঠানে গণসাক্ষরতা অভিযানের পক্ষ থেকে ঢাকা ও প্রান্তিক পর্যায়ের ২৪ হাজার মানুষের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি করা ২১ দফা সংবলিত একটি স্মারকলিপি প্রতিমন্ত্রীর কাছে প্রদান করা হয়।
২০২৬-২৭ অর্থ বছরে শিক্ষা খাতে জিডিপির অন্তত ২.৫ শতাংশ অথবা জাতীয় বাজেটের ২০ শতাংশ বিনিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।
বাজেট ঘাটতি পূরণে করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর)-এর ৩০ শতাংশ ব্যবহার এবং প্রতিবেশী দেশ ভারতের মতো ‘এডুকেশন সেস’ (Education Cess) চালুর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে একটি বিশাল ‘শিক্ষা সহায়তা তহবিল’ গঠন সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।





