শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) কর্মকর্তাদের মতে, এই নির্মাণ কাজ ৫০-৬০ লাখ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। ফলে শুধু এই খাত থেকেই প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বাড়তি বা লুটপাটের সুযোগ থাকছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রকল্পে ৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫৪ জনের বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। জনপ্রতি ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ লাখ টাকা।
৫৪ জনের মধ্যে শিক্ষক মাত্র ১৫ জন, বাকি ৩৯ জনই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের আমলা ও কর্মকর্তা।
আঞ্চলিক বিজ্ঞান শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ধাপে ১৮ জন বিদেশ যাবেন, যেখানে কোনো শিক্ষকের নামই নেই। শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষকদের দক্ষতার কথা বলে আমলাদের প্রমোদ ভ্রমণের আয়োজন করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল আইডি এবং ই-লার্নিং কনটেন্ট তৈরির জন্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।
প্রকল্পের ৫ বছর মেয়াদ শেষে এই বিশাল ডাটাবেজ ও সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য কোনো বাজেট বা পরিকল্পনা রাখা হয়নি।
শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, রক্ষণাবেক্ষণ না হলে প্রকল্প শেষে শতকোটি টাকার অর্জন পুরোটাই জলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রকল্প প্রস্তাবে আরও কিছু অদ্ভুত ব্যয়ের হিসাব পাওয়া গেছে:
৫ বছরের জন্য সাড়ে ৩ কোটি টাকায় জিপ ও মাইক্রোবাস ভাড়া নেওয়ার পরও যাতায়াত ভাতা হিসেবে আলাদা ৫০ লাখ টাকা রাখা হয়েছে।
শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণে খরচ ধরা হয়েছে ৪৪৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।ফার্নিচারের জন্য ৩৪৩ কোটি ৭২ লাখ এবং বিজ্ঞানাগার নির্মাণে ১৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।





