ট্রাম্প তার পোস্টে দাবি করেন, গত বছরের জুনে পরিচালিত মার্কিন সামরিক অভিযান ‘মিডনাইট হ্যামার’-এর মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। তার ভাষায়, ওই অভিযানে ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহান—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছিল এবং এতে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে।
তিনি আরও বলেন, এসব স্থাপনায় থাকা ইউরেনিয়াম বা সংশ্লিষ্ট উপাদান অপসারণ বা উদ্ধার করা এখন অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ একটি কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ট্রাম্প তার পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু গণমাধ্যমের সমালোচনাও করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সিএনএনসহ কিছু আন্তর্জাতিক মিডিয়া মার্কিন পাইলটদের কৃতিত্ব যথাযথভাবে তুলে ধরছে না এবং বরং তাদের কাজকে খাটো করে দেখাচ্ছে।
এর আগে তিনি ইরানকে কূটনৈতিক আলোচনায় বসার আহ্বান জানান এবং সতর্ক করে বলেন, সমঝোতায় না এলে দেশটিকে কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সম্ভাব্য আলোচনার প্রসঙ্গও তিনি উল্লেখ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মূলত ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ঘিরে চলমান রাজনৈতিক চাপকে আরও জোরালো করছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের উত্তেজনা আবারও নতুন মাত্রা পাচ্ছে।
বিশ্ব রাজনীতির পর্যবেক্ষকদের মতে, ইউরেনিয়াম অপসারণ বা পারমাণবিক স্থাপনা সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম কেবল প্রযুক্তিগত নয়, বরং রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবেও অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জটিল একটি প্রক্রিয়া।








