“অবসরের ঘোষণার পর তামিম ইকবাল ফোন করে বলেছিল—রুবেল তোকে আমরা সম্মানিত করতে চাই। এটি আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের ও আনন্দের। বোর্ড এবং প্রেসিডেন্ট তামিম ইকবালকে এই সুন্দর আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানাই।”
বিদায়ী বক্তব্যে রুবেল তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ তিনজনের কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন:
পেসার হান্ট থেকে রুবেলকে তুলে আনা বিখ্যাত কোচ সারোয়ার ইমরানকে ‘উত্থানের সিঁড়ি’ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। স্যারের প্রতি সারা জীবন কৃতজ্ঞ থাকার অঙ্গীকার করেন রুবেল।
আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে মা-বাবার অবদানের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। সংবর্ধনা মঞ্চে তাঁদের খুব মিস করছেন বলেও জানান এই পেসার।
গত ১৫ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নেন রুবেল। প্রায় চার বছর দলের বাইরে থাকলেও বাংলাদেশের পেস আক্রমণের অন্যতম কান্ডারি ছিলেন তিনি।
-
টেস্ট: ২৭টি ম্যাচ।
-
ওয়ানডে: ১০৪টি ম্যাচ।
-
টি-টোয়েন্টি: ২৮টি ম্যাচ।
-
স্মরণীয় মুহূর্ত: ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো আইসিসি টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে পৌঁছে দেওয়া ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায়।








