নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীদের বিদেশ গমন ও দেশে ফেরার সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বা যুগ্মসচিব বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন। দেশের অভ্যন্তরীণ সফরের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের একান্ত সচিব সফরসূচি অনুযায়ী আগমন ও প্রস্থানের সময় উপস্থিত থাকবেন।
জেলা পর্যায়ের সফরে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর আগমন ও বিদায়ের সময় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার যথাসম্ভব উপস্থিত থাকবেন এবং অভ্যর্থনা ও বিদায় সংবর্ধনা জানাবেন। তবে তাদের সরকারি সফর বাতিল করার প্রয়োজন হবে না; সে ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দায়িত্ব পালন করবেন।
উপজেলা পর্যায়ে সফরের ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী পুলিশ সুপার এবং স্থানীয় পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা প্রটোকল দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা প্রশাসক বা পুলিশ সুপারের উপস্থিতি আবশ্যক না হলে তারা উপস্থিত থাকবেন না।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বিমানবন্দর বা রেলস্টেশনে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও যশোরের জেলা প্রশাসকের উপস্থিতি আবশ্যক না হলে বাধ্যতামূলক নয়। একইভাবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
রেলযোগে সফরের ক্ষেত্রে নির্ধারিত স্টেশন ও জংশনে পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপস্থিত থাকবেন এবং পুরো রুটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমন্বয় করবেন।
সাধারণ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সফরসূচি যথাসময়ে সংশ্লিষ্টদের জানাতে হবে এবং কোনো পরিবর্তন হলে তা দ্রুত অবহিত করতে হবে। সরকারি ও ব্যক্তিগত সফরের পার্থক্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং সরকারি সফরের ক্ষেত্রে যানবাহন ও আবাসন সুবিধা দেওয়া হবে।
নতুন নির্দেশনাকে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও প্রটোকল ব্যবস্থাপনা আরও সুসংগঠিত করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।








