গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা অনুসন্ধান চালান। পরে নিশ্চিত তথ্যের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত শরিফুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে প্রায় ৬৪৫ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জ্বালানির কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন আইন অনুযায়ী অবৈধভাবে জ্বালানি মজুতের অপরাধে তাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।








