“গত রাত্রে আমাকে দুইটা পর্যন্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। আমি তেল পাই নাই। তেল শুধু মহান সংসদে, এত পরিমাণ তেল এখানে অপচয় হচ্ছে; বাইরের তেল অলরেডি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।”
সংসদ সদস্য হয়েও রাত পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে তেল না পাওয়ায় সাধারণ মানুষের চরম দুর্গতির বিষয়টি তিনি স্পিকারের মাধ্যমে সরকারের নজরে আনেন।
ঢাকা-৫ আসনের ডেমরা-যাত্রাবাড়ী এলাকার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন:
যত্রতত্র মেইন রাস্তা লিজ দেওয়ার কারণে যানজট ও চাঁদাবাজি বাড়ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি জানান, চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করতে গিয়ে নূরে আলম খাইরুল নামের এক ব্যক্তিকে প্রাণ দিতে হয়েছে। এই ঘটনার তীব্র ধিক্কার জানিয়ে তিনি মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।
কামাল হোসেন তাঁর বক্তব্যে শিক্ষা খাতের অনিয়ম এবং সংবিধান সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরেন:
শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, যেখানে ৭২ জন শিক্ষক প্রয়োজন, সেখানে ১৪২ জন শিক্ষক কীভাবে বহাল থাকেন? উন্নয়নকে দলীয় বিষয় না ভেবে জনগণের অধিকার হিসেবে দেখার অনুরোধ করেন তিনি।
বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিক দলের এই নেতা ১৯৭৭ সালের গণভোটের উদাহরণ টেনে বলেন, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণভোটকে বৈধ বলেছেন। তিনি অবিলম্বে ১৮০ দিন মেয়াদী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করার দাবি জানান। কামাল হোসেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সময়মতো এই সংস্কার অধিবেশন না ডাকলে বর্তমান সংসদ বিলুপ্ত হওয়ার আইনি ঝুঁকি রয়েছে।







