-
ডিজেল: ১ লাখ ১ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন।
-
অকটেন: ৩১ হাজার ৮২১ মেট্রিক টন।
-
পেট্রল: ১৮ হাজার ২১১ মেট্রিক টন।
-
জেট ফুয়েল: ৭৭ হাজার ৫৪৬ মেট্রিক টন।
ঢাকার পেট্রল পাম্পগুলোতে সাম্প্রতিক ভিড় নিয়ে তিনি বলেন:
জ্বালানি তেলের এই দীর্ঘ লাইন বা ভিড় কেবল ঢাকা কেন্দ্রিক, ঢাকার বাইরে এমন কোনো চিত্র নেই।গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছরও সমপরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। সরবরাহে কোনো কাটছাঁট করা হয়নি। অযথা আতঙ্কিত হয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কেনা বা ‘প্যানিক বায়িং’-এর কোনো প্রয়োজন নেই।
শিল্প খাতের জ্বালানি চাহিদা নিয়ে মনির হোসেন চৌধুরী জানান:
শিল্প কারখানার জন্য নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী চাহিদা মাফিক ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই।
পরিস্থিতি সামাল দিতে বেসরকারিভাবে ১৪ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।মার্চ ও এপ্রিল মাসে সরকারিভাবে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আনা সম্ভব না হলেও, এপ্রিলের শেষে বা মে মাসের শুরুতে সৌদি আরব থেকে ভিন্ন রুটে জাহাজ আসার কথা রয়েছে।
ইস্টার্ন রিফাইনারি প্রসঙ্গে তিনি জানান, সেখানে বছরে ১৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি পরিশোধন করা হয়, যা দেশের মোট চাহিদার মাত্র এক-পঞ্চমাংশ। এছাড়া জ্বালানির দাম প্রসঙ্গে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে প্রতি মাসেই দাম সমন্বয় করা হচ্ছে। আগামী মে মাসে দাম বাড়বে কি কমবে, তা পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হবে।







