গম্ভীর ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত দলের দায়িত্বে থাকতে চান।বোর্ড যদি তাঁর এই প্রস্তাব গ্রহণ করে, তবে ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে প্রথমবারের মতো ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আসরেও ভারতীয় দলের ডাগআউটে দেখা যাবে তাঁকে।
চুক্তির আবেদনের পাশাপাশি একটি বিশেষ অনুরোধও করেছেন গম্ভীর। তিনি টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে সূর্যকুমার যাদবকে আরও কিছু সময়ের জন্য বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে এই বিষয়টি নিয়ে বোর্ড ও ক্রিকেট মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে:
আইপিএলসহ সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে সূর্যকুমারের ব্যাটিং ফর্ম আশানুরূপ নয়। রান করতে তাঁকে বেশ সংগ্রাম করতে হচ্ছে।
বিসিসিআইয়ের একাংশের মতে, ২০২৮ সালের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা সামনে রেখে একজন নতুন ও তরুণ অধিনায়কের অধীনে দল গড়া উচিত। তাই তাঁরা সূর্যকুমারের ওপর দীর্ঘমেয়াদী নিশ্চয়তা দিতে নারাজ।
বিসিসিআইয়ের কিছু সদস্য গম্ভীরের দ্বিমুখী অবস্থানে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার মতো কিংবদন্তিদের টেস্ট দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে গম্ভীর কঠোর হলেও, অফ-ফর্মে থাকা সূর্যকুমারের ক্ষেত্রে তিনি কেন নমনীয়—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই (PTI)-এর তথ্য অনুযায়ী, বোর্ড এখনই চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানাচ্ছে না:
গম্ভীরের অধীনে দল সাফল্য পাওয়ায় তাঁর চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে বোর্ড ইতিবাচক।সূর্যকুমার যাদবের ভাগ্য নির্ভর করবে তাঁর আগামী ম্যাচগুলোর পারফরম্যান্সের ওপর। আপাতত আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফর পর্যন্ত তাঁকে নেতৃত্বে রাখা হতে পারে, এরপর পরিস্থিতি পুনরায় মূল্যায়ন করা হবে।






