বৈঠকে শিক্ষকরা ক্লাসে ফেরার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা আগামী সিন্ডিকেট সভায় আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনেও (ইউজিসি) পাঠানো হবে।
শিক্ষকদের দীর্ঘ দুই বছরের দাবির প্রেক্ষিতে গত ২০ এপ্রিল থেকে এই আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ নেয়:১৯ এপ্রিল মৃত্তিকা ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক জামাল উদ্দিন আমরণ অনশন শুরু করেন। পরবর্তীতে ২০ এপ্রিল থেকে কর্মবিরতি ও ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু হয়।২৮ এপ্রিল শিক্ষকরা সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ে।
বৈঠক শেষে বিভিন্ন পক্ষ থেকে ইতিবাচক মন্তব্য পাওয়া গেছে:
প্রকৌশল অনুষদের ডিন রাহাত হোসেন ফয়সাল জানান, কমিশনার ও উপাচার্যের আশ্বাসে তাঁরা ইতিবাচক অগ্রগতি দেখছেন। সাধারণ শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনার পর চূড়ান্তভাবে ক্লাসে ফেরার ঘোষণা দেওয়া হবে। অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম বলেন, “ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দ্রুত ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হবে। শিক্ষকদের সমস্যাগুলো সিন্ডিকেটে সমাধান করা হবে।”তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের ক্ষতির কথা বিবেচনা করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সব সমাধান হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার আলোকে।






