কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা হলেন:
-
আহ্বায়ক: ইসমাইল জবিউল্লাহ (প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা)।
-
সদস্য: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর (প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা)।
-
সদস্যগণ: মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, অর্থ সচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব।
-
সদস্য-সচিব: অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (আইআরডি) সচিব।
এনবিআর সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো রাজস্ব আদায় এবং রাজস্ব নীতি প্রণয়নকে দুটি আলাদা প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে নিয়ে আসা।
-
বিভাগ দুটি: ১. রেভিনিউ পলিসি (রাজস্ব নীতি) ও ২. রেভিনিউ ম্যানেজমেন্ট (রাজস্ব ব্যবস্থাপনা)।অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হলেও এনবিআর কর্মকর্তাদের আন্দোলন এবং প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের আপত্তির মুখে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ওই অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত না করায় সেটির কার্যকারিতা শেষ হয়ে যায়। ফলে বর্তমান সরকার নতুন করে বিল আনার প্রক্রিয়া শুরু করল।
এই কমিটিকে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। তবে তাদের মূল কাজ হবে আগের বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো সমাধান করে এমন একটি সুপারিশ তৈরি করা যা এনবিআর কর্মকর্তা এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখবে। রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা এবং আন্তর্জাতিক মানের কর কাঠামো তৈরি করাই এই বাইফারকেশনের মূল উদ্দেশ্য।







