মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এই পরিকল্পনার কথা ফাঁস করার পরপরই জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক বেঞ্চমার্কগুলোতে বড় ধরণের মূল্যবৃদ্ধি দেখা যায়:
এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১২৬ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এটি ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর সর্বোচ্চ মূল্য।
মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম প্রায় ২.৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০৯ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।বেশি লেনদেন হওয়া জুলাই চুক্তির ব্রেন্টের দামও প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে ১১৩ ডলারের আশেপাশে অবস্থান করছে।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এইইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত অবকাঠামো লক্ষ্য করে শক্তিশালী হামলা চালানো। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালির একটি নির্দিষ্ট অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া।
উল্লেখ্য যে, এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস বা সেন্টকমের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়া এবং ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ রাখার হুমকির ফলে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৈশ্বিক তেলের বাজারে একটি দীর্ঘমেয়াদী ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি করছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত হতে পারে।







