মূল কারণগুলো হলো—
এসির ঠান্ডায় থাকলে ঘাম কম হয়, ফলে অনেকেই পানি কম পান করেন। শরীরে পানির ঘাটতি (ডিহাইড্রেশন) কিডনি পাথরের অন্যতম প্রধান কারণ।
পানি কম পেলে প্রস্রাব ঘন হয়ে যায়। এতে ক্যালসিয়াম, অক্সালেট ও অন্যান্য খনিজ উপাদান জমে পাথর তৈরির সম্ভাবনা বাড়ে।
দীর্ঘসময় একটানা ঠান্ডা পরিবেশে থাকলে শরীরের স্বাভাবিক পানি-লবণের ভারসাম্য ও বিপাক প্রক্রিয়ায় কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু সতর্কতা মেনে চললে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব—
দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করা (তৃষ্ণা না লাগলেও নিয়ম করে)
এসির তাপমাত্রা খুব কম না রাখা (প্রায় ২৫–২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ভালো)
লম্বা সময় একটানা এসিতে না থাকা, মাঝে মাঝে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আসা
খাবারে লবণ নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা
সব মিলিয়ে বলা যায়, এসি নিজে কিডনিতে পাথর তৈরি করে না। বরং এসিতে থাকা অবস্থায় পানি কম খাওয়া এবং অনিয়মিত জীবনযাপনই মূল ঝুঁকির কারণ।






