অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি বর্তমানে একটি কঠিন সময় অতিক্রম করছে। এ অবস্থায় সরকার সব খাতে কর ছাড় বা বিশেষ সুবিধা দিতে পারবে না। তবে ব্যবসা সহজীকরণ এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করতে সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত ব্যয় বেড়েছে, যা সরকারের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে। শুধু জ্বালানি খাতেই অতিরিক্ত প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার মুক্তবাজার অর্থনীতির নীতির ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে। ব্যক্তিখাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাতগুলোকে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো সহায়তা দেওয়ার বিষয়েও সরকারের অবস্থান ইতিবাচক বলে জানান তিনি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে বর্তমান অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলা করে দেশের প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।







