জাতিসংঘের মহাসচিব এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উত্থাপন করেন। তার মতে, ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ বৈশ্বিক নৌচলাচলের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি।
চিঠিতে ইরানি প্রতিনিধি উল্লেখ করেন, উন্মুক্ত সমুদ্রে বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ এবং সামুদ্রিক কনভেনশনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ ভবিষ্যতে বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘমেয়াদী সংকট তৈরি করতে পারে।
ইরাভানির অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের এই আচরণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং ইরানকে রাজনৈতিকভাবে চাপের মুখে ফেলতে একটি কৌশলগত প্রচেষ্টা। তিনি আরও বলেন, এর ফলে যেকোনো পরিণতির দায় ওয়াশিংটনকেই বহন করতে হবে।
বর্তমানে পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন বেড়েছে। ইরানের দাবি, তাদের তেলবাহী ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলো নিয়মিতভাবে বাধার মুখে পড়ছে, যা বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক।
ইরানি প্রতিনিধি বিশ্ব সম্প্রদায়কে এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ইরান শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী হলেও জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থ রক্ষায় কোনো আপস করবে না এবং যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক চাপ তৈরির পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে। এখন নজর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।








