নিহত পীর শামীম জাহাঙ্গীরের দরবারে হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আলমগীরকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
ওসির ভাষ্যমতে, ঘটনার দিনের ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করেই আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।মঙ্গলবার আলমগীরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে (সম্ভবত কিশোর সংশোধনাগারে) পাঠানো হয়েছে।
এর আগে এই মামলায় বিপ্লব হোসেন (২৬) ও আলিফ ইসলাম (২৩) নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ নিয়ে মামলায় মোট ৩ জন গ্রেপ্তার হলো।
আলমগীরের পরিবারের পক্ষ থেকে এই গ্রেপ্তারকে ‘ভুল’ এবং ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করা হয়েছে।আলমগীরের খালা রোজিনা খাতুন জানান, পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে রাত ২টার দিকে আলমগীরকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে থানায় গিয়ে জানা যায় তাকে হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে।
পরিবারের দাবি, হামলার সময় আলমগীর দরবারে ছিল না। সে দুপুরে প্রাইভেট পড়ে বাড়িতে ছিল। পরে ফায়ার সার্ভিস যখন আগুন নেভাতে আসে, তখন কৌতূহলবশত বাবা-মায়ের সঙ্গে সেখানে গিয়েছিল। তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।
গত ১১ এপ্রিল (শনিবার) ইসলাম ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে শামীম জাহাঙ্গীরের আস্তানায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায় স্থানীয় এলাকাবাসী।
হামলায় পীর শামীম জাহাঙ্গীর গুরুতর আহত হন এবং ওই দিনই বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এছাড়া মহন আলী, জামিরুন নেছা ও জুবায়ের নামে তাঁর আরও তিন অনুসারী আহত হন।১৩ এপ্রিল নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৮০-২০০ জনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।








