Search
Close this search box.

কুষ্টিয়ায় পীর হত্যা মামলা: দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

অহনা

ছবিঃ সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পীর আব্দুর রহমান ওরফে শামীম জাহাঙ্গীর (৫৭) হত্যা মামলায় আলমগীর হোসেন (১৬) নামে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ এপ্রিল, ২০২৬) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত পীর শামীম জাহাঙ্গীরের দরবারে হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আলমগীরকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

 ওসির ভাষ্যমতে, ঘটনার দিনের ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করেই আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।মঙ্গলবার আলমগীরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে (সম্ভবত কিশোর সংশোধনাগারে) পাঠানো হয়েছে।

 এর আগে এই মামলায় বিপ্লব হোসেন (২৬) ও আলিফ ইসলাম (২৩) নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ নিয়ে মামলায় মোট ৩ জন গ্রেপ্তার হলো।

আলমগীরের পরিবারের পক্ষ থেকে এই গ্রেপ্তারকে ‘ভুল’ এবং ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করা হয়েছে।আলমগীরের খালা রোজিনা খাতুন জানান, পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে রাত ২টার দিকে আলমগীরকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে থানায় গিয়ে জানা যায় তাকে হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে।

পরিবারের দাবি, হামলার সময় আলমগীর দরবারে ছিল না। সে দুপুরে প্রাইভেট পড়ে বাড়িতে ছিল। পরে ফায়ার সার্ভিস যখন আগুন নেভাতে আসে, তখন কৌতূহলবশত বাবা-মায়ের সঙ্গে সেখানে গিয়েছিল। তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

গত ১১ এপ্রিল (শনিবার) ইসলাম ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে শামীম জাহাঙ্গীরের আস্তানায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায় স্থানীয় এলাকাবাসী।

হামলায় পীর শামীম জাহাঙ্গীর গুরুতর আহত হন এবং ওই দিনই বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এছাড়া মহন আলী, জামিরুন নেছা ও জুবায়ের নামে তাঁর আরও তিন অনুসারী আহত হন।১৩ এপ্রিল নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৮০-২০০ জনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ