জিইসি মোড়, মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ, প্রবর্তক মোড় এবং আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় কোমর থেকে বুক সমান পানি দেখা গেছে। এছাড়া মেহেদীবাগের মতো এলাকা, যেখানে সাধারণত পানি ওঠে না, সেখানেও এবার জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।
জহুর হকার্স মার্কেটে পানির তোড়ে দোকানের মালামাল ভেসে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। হালিশহরের বিভিন্ন সড়ক যেন ছোটখাটো নদীতে পরিণত হয়েছে।
স্কুল-কলেজ খোলা থাকায় শিক্ষার্থীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। সাহিত্যিক জিন্নাহ চৌধুরী জানান, আগ্রাবাদ এলাকায় তিনি প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে আটকে ছিলেন। গণপরিবহন কম থাকায় সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত ভাড়ায় রিকশা বা পায়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।
জলাবদ্ধতার খবর পেয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠে নামেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি নগরীর বিভিন্ন জলমগ্ন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা দ্রুত সচল করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। স্থানীয়রা জানান, ড্রেনে পলিথিন ও বর্জ্য আটকে থাকায় এবং খাল-নালা ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নামতে দেরি হচ্ছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম জানিয়েছেন:
গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৬ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আগামী ৯৬ ঘণ্টা অর্থাৎ চার দিন চট্টগ্রামে ভারি বৃষ্টিপাতের শঙ্কা রয়েছে।






