গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ শেষ হওয়ার পর খেলোয়াড়দের জমে থাকা হলুদ কার্ড বাতিল করা হবে।কোয়ার্টার ফাইনাল শেষ হওয়ার পর আবারও হলুদ কার্ডের হিসাব মুছে ফেলা হবে।
এই পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য হলো সেমিফাইনাল বা ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় তারকাদের কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি কমিয়ে আনা।
২০২৬ বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করায় ম্যাচের সংখ্যাও অনেক বেড়ে যাচ্ছে।
নতুন ফরম্যাটে নকআউট পর্বে একটি বাড়তি রাউন্ড যুক্ত হয়েছে। ফলে সেমিফাইনালে পৌঁছাতে একটি দলকে আগের চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলতে হবে।
বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় ৫ ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড পেলে পরের ম্যাচে নিষিদ্ধ হন। ম্যাচ সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের নিষেধাজ্ঞায় পড়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই কার্ডের সীমা ২ থেকে বাড়িয়ে ৩ করার বদলে এই ‘অ্যামনেস্টি’ পদ্ধতিকে বেশি কার্যকর মনে করছে ফিফা।
কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠেয় ফিফা কাউন্সিলের পরবর্তী বৈঠকে এই প্রস্তাবটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
এই মওকুফ ব্যবস্থা কার্যকর হলেও দুই হলুদ কার্ডের কারণে প্রাপ্ত এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার মৌলিক নিয়মটি অপরিবর্তিত থাকবে। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ধাপ শেষে পেন্ডিং কার্ডগুলো বাতিল হবে।উল্লেখ্য, ২০২৬ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।








