চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরান ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় পৌঁছালে তারা হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করবে। তবে মার্কো রুবিও এই প্রস্তাবকে ‘নির্দোষ’ মনে করছেন না।
রুবিওর মতে, ইরান যখন প্রণালি খুলে দেওয়ার কথা বলে, তার নেপথ্যে থাকে কঠিন শর্ত। তিনি বলেন, “তাদের শর্ত হলো—আপনাকে ইরানের সাথে সমন্বয় করতে হবে, তাদের অনুমতি নিতে হবে; অন্যথায় তারা হামলা চালাবে এবং অর্থও দাবি করবে।”
রুবিও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এটি কোনোভাবেই প্রণালি উন্মুক্ত রাখা নয়; বরং আন্তর্জাতিক জলপথের ওপর অবৈধ আধিপত্য বিস্তার।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের এই কৌশলগত অবস্থানকে বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন:
“ইরান এমন একটি ব্যবস্থা স্বাভাবিক করে তুলতে পারে না—এবং আমরাও তা মেনে নিতে পারি না—যেখানে তারা ঠিক করবে কে আন্তর্জাতিক জলপথ ব্যবহার করবে এবং এর জন্য কত অর্থ দিতে হবে।”
বিশ্বের মোট খনিজ তেলের একটি বড় অংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথের ওপর যেকোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ বা অবরোধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করে।
চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলার পর থেকে এই অঞ্চলে উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। ইরান পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে প্রণালিটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপের চেষ্টা করছে।








