আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উৎসবের প্রতিদিন থাকছে ভিন্ন ভিন্ন আকর্ষণ:
-
প্রথম দিন (২৮ এপ্রিল): ঢাকা থিয়েটার প্রযোজিত নাটক ‘রংমহল’।
-
দ্বিতীয় দিন (২৯ এপ্রিল): জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের নিজস্ব প্রযোজনা ‘অশ্বথামা’।
-
তৃতীয় দিন (৩০ এপ্রিল): বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ আয়োজন ‘মধ্যরাতের কবিতা ও গান’।
-
চতুর্থ দিন (১ মে): জহির রায়হান মিলনায়তনের ৩ নম্বর কক্ষে আয়োজন করা হয়েছে পুনর্মিলনী।
প্রতিবারের মতো এবারও নাট্য ও সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্টজনদের সম্মাননা প্রদান করা হবে:
-
জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার পদক (নাট্য ব্যক্তিত্ব): পাচ্ছেন প্রখ্যাত অভিনেত্রী দিলারা জামান।
-
শিক্ষা ব্যক্তিত্ব সম্মাননা: পাচ্ছেন অরুণ কুমার বসাক।
-
আলোক কুমার রায় পদক: পাচ্ছেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও থিয়েটারকর্মী মহসিনা আক্তার।
এবারের উৎসবের স্লোগান ও বিশেষ আয়োজন নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়া সাহা বলেন:
-
স্লোগানের তাৎপর্য: মানুষ দিন দিন হতাশা ও বিষাদে আক্রান্ত হচ্ছে। জীবনকে সহজ ও আনন্দময়ভাবে দেখার আহ্বান জানাতেই ‘শিশুর হাসি’র স্লোগানটি বেছে নেওয়া হয়েছে।
-
স্মরণসভা: নাট্যকর্মী কনিষ্ক মাঝির স্মরণে ৩০ এপ্রিল মধ্যরাতে কবিতা ও গানের বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। তরুণ সমাজকে জীবনবিমুখতা থেকে দূরে রাখতে এটি একটি বার্তাবাহী উদ্যোগ।







