জাম্পোলির মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরানের পরিবর্তে ইতালি খেললে তা বৈশ্বিক ফুটবলের জন্য ইতিবাচক হবে।
তিনি ১৯৯২ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের উদাহরণ টানেন। সেবার যুদ্ধের কারণে যুগোস্লাভিয়াকে বাদ দেওয়ার পর শেষ মুহূর্তে ডেনমার্ককে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল এবং ডেনমার্ক চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইতিহাস গড়েছিল।
তিনি বলেন, “ফুটবল দুই অর্ধে খেলা এবং শেষ বাঁশি না বাজা পর্যন্ত কিছু শেষ হয় না। ৯২-এর ডেনমার্কের মতো ইতালিকেও হয়তো শেষ মুহূর্তে মাঠে ডাকা হতে পারে।”
জাম্পোলির এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনের এক অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি বলেন:
ইরান দল বিশ্বকাপে আসছে এটা নিশ্চিত। তারা যোগ্যতা অর্জন করেই এখানে জায়গা করে নিয়েছে।ইনফান্তিনোর মতে, খেলাধুলা রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত। ইরান তাদের দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে আসছে এবং তাদের খেলা উচিত।
ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে এক ধরনের ধোঁয়াশা বজায় রয়েছে:
গত মাসে তিনি ইরানি খেলোয়াড়দের নিজ দেশে স্বাগত জানিয়েছিলেন।আবার নিজের সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ তিনি লিখেছেন, “আমি সত্যিই মনে করি না যে তাদের সেখানে থাকাটা উচিত।” প্রেসিডেন্টের এই পরস্পরবিরোধী অবস্থানের মধ্যেই তাঁর দূত জাম্পোলি ইরানকে বাদ দেওয়ার প্রকাশ্য প্রস্তাব দিলেন।








