আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই ফুটবল ক্লাবগুলোকে বেসরকারিকরণের (Privatization) পক্ষে, যার ঘোর বিরোধী তাপিয়া। এই দ্বন্দ্বে তাপিয়ার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির মামলা করেছে মিলেই সরকার। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর ২ থেকে ৬ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর যিনি নায়ক ছিলেন, সেই তাপিয়াকে এখন বুয়েন্স আয়ার্সের স্টেডিয়ামে দর্শকদের দুয়োধ্বনি শুনতে হচ্ছে।
বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার প্রস্তুতি নিয়ে ফুটবল বিশ্লেষকরা উদ্বিগ্ন। বাণিজ্যিক লাভের আশায় শক্তিশালী ইউরোপীয় দলের বদলে তারা অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলছে:
ইন্দোনেশিয়া, পুয়ের্তো রিকো, অ্যাঙ্গোলা, মৌরিতানিয়া ও জাম্বিয়ার মতো নিম্ন র্যাঙ্কিং দলের বিপক্ষে খেলার বিষয়টি সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
সামনে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের মতো দলের বিপক্ষে ম্যাচ রয়েছে, যারা এমনকি বিশ্বকাপে জায়গাও পায়নি। এর ফলে মেসি-আলভারেজদের আসল প্রস্তুতিতে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রশাসনিক এই অস্থিরতা থেকে জাতীয় দলের ফুটবলাররা দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন:
তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, “আমরা ফুটবলার, ফুটবল খেলতেই এখানে এসেছি। রাজনীতি বুঝি না।”একসময় সামাজিক মাধ্যমে মেসির সাথে নিয়মিত ছবি পোস্ট করতেন তাপিয়া। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তা কমে আসায় দুজনের মধ্যে দূরত্বের গুঞ্জন উঠেছে। এমনকি গত মার্চে বুয়েন্স আয়ার্সে প্রীতি ম্যাচ শেষে কোনো মন্তব্য না করেই স্থান ত্যাগ করেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
তাপিয়ার লিগ সংস্কার পরিকল্পনাও তীব্র সমালোচনার মুখে:
২০২৪ সালে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি লিগের অবনমন স্থগিত করেন এবং শীর্ষ লিগে দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০-এ উন্নীত করেন। এতে লিগের মান কমে গেছে বলে দাবি সমালোচকদের।
তাপিয়ার একচ্ছত্র ক্ষমতার প্রতিবাদে রিভারপ্লেট ও এস্তুদিয়ান্তেস লা প্লাতার মতো প্রভাবশালী ক্লাবগুলো এএফএ-র নির্বাহী কমিটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে।








