এই মজুতকৃত তেলের পরিমাণ গত বছরের গড় মাসিক তেল আমদানির প্রায় ৮৭ শতাংশের সমান। অর্থাৎ, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা দীর্ঘায়িত হলেও দক্ষিণ কোরিয়ার অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজারে তাৎক্ষণিক কোনো বড় সংকট তৈরি হবে না।
প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং-এর চিফ অব স্টাফ কাং হুন-সিক জানিয়েছেন, দক্ষিণ কোরিয়া কৌশলগতভাবে মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর তাদের অতিনির্ভরতা কমিয়ে এনেছে।
আগে যেখানে মোট আমদানির ৬৯ শতাংশ আসত মধ্যপ্রাচ্য থেকে, বর্তমানে তা কমিয়ে ৫৬ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া এখন আমেরিকা ও আফ্রিকার মতো বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার মতো শিল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সিউল প্রশাসন জানিয়েছে, তারা আন্তর্জাতিক বাজার সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনে মজুত আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।







