ডিসেম্বরের শেষের দিকে তিনি প্রায় ৩২ হাজার ডলার বাজি ধরেন যে জানুয়ারি মাসের মধ্যে মাদুরো ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন।
তদন্তকারীরা জানান, ভ্যান ডাইক সরাসরি ‘অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজলভ’ নামক গোপন সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে অভিযানের সাফল্য নিয়ে তাঁর কাছে আগে থেকেই নিশ্চিত তথ্য ছিল।
অভিযানের ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেও তিনি শেষ বাজিটি ধরেন এবং শেষ পর্যন্ত ৪ লাখ ডলারেরও বেশি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ কোটি টাকা) লাভ করেন।
প্রসিকিউটরদের দাবি, ভ্যান ডাইক লাভের অর্থ সরাসরি নিজের অ্যাকাউন্টে না নিয়ে উৎস গোপন করার চেষ্টা করেন:
তিনি প্রথমে অর্থগুলো বিদেশি ক্রিপ্টোকারেন্সি অ্যাকাউন্টে পাঠান।পরবর্তীতে সেখান থেকে অনলাইন ব্রোকারেজ অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করেন যাতে কেউ সন্দেহ না করে।
মার্কিন অ্যাটর্নি জে ক্লেটন জানিয়েছেন, দেশের গোপন তথ্য রক্ষার দায়িত্ব যাদের ওপর, তারা ব্যক্তিগত লাভের জন্য তা ব্যবহার করতে পারে না। ভ্যান ডাইকের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে:
-
গোপন তথ্য চুরি ও অপব্যবহার।
-
জালিয়াতি এবং প্রতারণা।
-
অর্থ পাচারের চেষ্টা।
উল্লেখ্য, ওই বিতর্কিত ও রোমাঞ্চকর গোপন অভিযানে গোলাগুলির মধ্যে কারাকাসের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ থেকে নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার সংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্ত হয়ে জেল হেফাজতে রয়েছেন। যদিও মাদুরো শুরু থেকেই নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছেন।








