জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর চাপের প্রভাব পড়েছে নিম্নোক্তভাবে:
এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে রুপিয়াহর মান এখন ১৭ হাজার ৩১৫-তে দাঁড়িয়েছে, যা দেশটির মুদ্রার ইতিহাসে সর্বনিম্ন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধের প্রভাবে এর মান ৩ শতাংশের বেশি কমেছে।
ডলারের বিপরীতে পেসোর মান নেমে এসেছে ৬০.৫২৪-এ, যা গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন। থাইল্যান্ডের মুদ্রাও দুর্বল হয়ে প্রতি ডলারে ৩২.৪৪-এ দাঁড়িয়েছে।
ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালি সংকটের সবচেয়ে বড় শিকার এশিয়ার জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলো।
-
সংকটে থাকা দেশ: ইন্দোনেশিয়া, ভারত, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ড। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘ সময় ধরে জ্বালানির উচ্চমূল্য এসব দেশের অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছেবাংলাদেশেও যুদ্ধের প্রভাব ব্যাপকভাবে পড়েছে, তবে মুদ্রার বিনিময় হারে এখনো এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মতো বড় ধরনের বিচ্যুতি দেখা দেয়নি।
বুধবার (২২ এপ্রিল, ২০২৬), ইন্দোনেশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, তারা ‘অবমূল্যায়িত’ রুপিয়াহকে রক্ষা করতে বাজারে সর্বাত্মক হস্তক্ষেপ করবে। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনে আর্থিক নীতিমালায় কঠোর পরিবর্তন আনার প্রস্তুতিও নিচ্ছে সংস্থাটি।








