উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি বিশেষ করিডর নিয়ে আলোচনা চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কনটেইনারগুলো পাকিস্তানি ট্রাকে করে সীমান্ত পর্যন্ত নেওয়া হবে এবং সেখান থেকে ইরানি ট্রাকের মাধ্যমে তা গন্তব্যে পৌঁছাবে।
শিপিং শিল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অবরোধের মুখে ইরান তার অর্থনৈতিক লেনদেনে বড় পরিবর্তন এনেছে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তারা ইউয়ান ও ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করছে।
হরমুজ প্রণালি ও সংশ্লিষ্ট রুটে যাতায়াতকারী তেলের জাহাজের ওপর প্রতি ব্যারেলে প্রায় এক ডলার করে চার্জ আদায় করছে ইরান।
প্রতিদিন লাখ লাখ ব্যারেল তেল বহনকারী জাহাজ থেকে এই প্রক্রিয়ায় ইরান বিশাল অংকের অর্থ আয় করছে। অন্যান্য কার্গোর ক্ষেত্রেও তেলের ব্যারেলের মূল্যের ওপর ভিত্তি করে চার্জ নির্ধারণ করা হচ্ছে।
ইরানের এই বিকল্প আয়ের পথ বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র এখন সরাসরি সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত করার কৌশল নিয়েছে। মার্কিন নৌ-অবরোধের ফলে ইতিমধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ আটকা পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অবরোধ সরাসরি যুদ্ধের চেয়ে ইরানের অর্থনীতির ওপর মরণকামড় হিসেবে বেশি কাজ করছে।








