জহরত আদিব চৌধুরীর শিক্ষা ও কর্মজীবন তাকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরবর্তীতে হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল থেকে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেন। এছাড়া ডার্বি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্যিক আইনে এলএলএম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট ইন বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন।
রাজনীতিতে আসার আগে তিনি করপোরেট জগতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিলেন। দেশের শীর্ষ টেলিকম প্রতিষ্ঠান বাংলালিংকের ডেপুটি সিইও ও চিফ লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি গ্রামীণফোন ও নোভার্টিসের মতো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার। পেশাগত জীবনে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে টেলিকম খাতে ডেপুটি সিইও পদে দায়িত্ব পালন করে নজির গড়েন।
রাজনৈতিক পরিবার থেকে আসা হলেও তিনি নিজেকে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রম ও নীতি প্রণয়নে যুক্ত রেখেছেন বলে দাবি করেন। বিএনপির বিভিন্ন কেন্দ্রীয় কার্যক্রম, নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দলের কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নীরবে দলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
তার পারিবারিক পরিচয়ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পিতা এবাদুর রহমান চৌধুরী মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী ছিলেন এবং স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এ কারণে স্থানীয় পর্যায়ে তার পরিবারের একটি রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় জহরত আদিব চৌধুরী বলেন, তিনি জনগণের সেবা, বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পর্যটন ও নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করতে চান। তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিদেশমুখিতা কমিয়ে দেশে সুযোগ তৈরির পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
দলের হাইকমান্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক কাজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি জনগণের জন্য কাজ করতে চান। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরাও তার মনোনয়নকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন, তিনি পিতার মতোই উন্নয়নমুখী ভূমিকা রাখবেন।








