জোটের সাতজন সদস্যের মধ্যে ছয়জনের সই সংবলিত একটি চিঠির মাধ্যমে সুলতানা জেসমিনকে প্রার্থী করা হয়। তবে এই প্রক্রিয়ায় জোটের একমাত্র নারী স্বতন্ত্র সদস্য ও বিশিষ্ট আইনজীবী রুমিন ফারহানার নাম রহস্যজনকভাবে বাদ পড়েছে।
ছয়জনের নামের চিঠি থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিন সদস্য এই মনোনয়নে সরাসরি স্বাক্ষর করেছেন। বাকি তিন সদস্য সুলতানা জেসমিনের প্রার্থিতা ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে স্বাক্ষর করা থেকে বিরত থাকেন।
সুলতানা জেসমিন জুঁই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি। তিনি পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার বাসিন্দা। ছাত্র রাজনীতিতে তাঁর অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে জোটের ভেতর থেকে কেউ কেউ সমালোচনা করেছেন, যা এই মনোনয়নকে আরও বিতর্কিত করেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এই মনোনয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে সরাসরি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, “আমি এই মনোনয়ন প্রক্রিয়ার মধ্যে নেই।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জোটের অন্য সদস্যদের সাথে মতবিরোধের কারণেই তাঁকে এই প্রক্রিয়ায় রাখা হয়নি।






