৪৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী হাসিমুখে বলেন, “দিনটি ছিল ভীষণ আনন্দের। এমন একটি সম্মান পাব তা ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত। বিষয়টি এখনো আমার কাছে অবাস্তব মনে হচ্ছে এবং আমি আশা করছি বন্ধু-বান্ধবরা আমাকে এটা নিয়ে একটু মজা করার সুযোগ দেবে!”
পিপল ম্যাগাজিনের কভার এবং নতুন সিনেমা—উভয় ক্ষেত্রেই হ্যাথাওয়েকে দেখা যাচ্ছে নতুন উজ্জ্বলতায়। দীর্ঘ ২০ বছর পর তিনি তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র ‘অ্যান্ডি স্যাকস’ হিসেবে পর্দায় ফিরছেন।
পুরনো সহ-অভিনেতা মেরিল স্ট্রিপ, এমিলি ব্লান্ট এবং স্ট্যানলি টুচির সঙ্গে আবার কাজ করাকে ‘বিশেষ অভিজ্ঞতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। হ্যাথাওয়ের মতে, সেই পুরনো সময়ে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পাওয়া ছিল দারুণ রোমাঞ্চকর।
অ্যান হ্যাথাওয়ের বড় পর্দায় যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০১ সালে ‘দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ’-এর মাধ্যমে।
মাত্র তিন বছর বয়সে মায়ের অভিনয় দেখে অভিনয়ের প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি।ক্যারিয়ারে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ২০১৩ সালে ‘লে মিজারেবলস’ চলচ্চিত্রে ফ্যান্টাইন চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তিনি সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর অস্কার জয় করেন।
জীবনের এই দীর্ঘ সফরে স্বামী অ্যাডাম শুলমানের সমর্থনের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন তিনি, যা তাঁকে সবসময় স্থির থাকতে সাহায্য করে।








