ফাহমিদা হক দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি, সামাজিক উদ্যোগ এবং নীতিনির্ধারণী আলোচনার সাথে যুক্ত আছেন।দেশজুড়ে বিভিন্ন মানুষের সাথে যোগাযোগ এবং সামাজিক বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতাই তাঁকে রাজনীতির প্রতি আগ্রহী করে তুলেছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ফাহমিদা হক সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে সংসদীয় কার্যক্রমে ইতিবাচক অবদান রাখবেন।
স্ত্রীর রাজনৈতিক পরিচয় নিজের পেশাগত জীবনে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন জিল্লুর রহমান। তিনি স্পষ্ট করেন:
একজন সাংবাদিক, কলামিস্ট ও নীতি-গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে তাঁর কয়েক দশকের স্বাধীন পেশাগত অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে।
তিনি বিশ্বাস করেন, একই পরিবারের সদস্যরা ভিন্ন ভিন্ন জনভূমিকা পালন করতে পারেন, কিন্তু পেশাগত সততা ও বস্তুনিষ্ঠতা সবসময় স্বাধীন থাকা উচিত।
উন্মুক্ত জনআলোচনা এবং ন্যায়ের পক্ষে তাঁর কাজ আগের মতোই অব্যাহত থাকবে।
ফাহমিদা হকের মনোনয়নের পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিশেষ করে জিল্লুর রহমানের নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা ও সিজিএস-এর মতো প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে তাঁর অবস্থান নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তোলেন। আজকের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জিল্লুর রহমান মূলত সেই সমালোচনার জবাব দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।






