বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৯৪ দশমিক ৯৪ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের মে মাসের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ১১ ডলার বা প্রায় ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৮৮ দশমিক ৫০ ডলারে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সম্ভাব্য কূটনৈতিক আলোচনা বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের ওঠানামার প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ঘিরে যেকোনো অগ্রগতি বা অস্থিরতা সরাসরি জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলে।
এশিয়ার শেয়ারবাজারেও এ খবরে কিছুটা ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন, আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কমলে সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা আসবে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য স্বস্তিদায়ক হবে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক। তাই মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো রাজনৈতিক অগ্রগতি বা সংকট বৈশ্বিক বাজারে দ্রুত প্রতিফলিত হয়।








