সরকারপ্রধান জানান, চলতি মাসের মধ্যেই দেশের আরও ২৩টি উপজেলায় এই কার্ড বিতরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। তিনি বলেন, বিগত সময়ে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ক্ষতি। সেই অর্থ ফেরত এনে তা জনগণের কল্যাণে ব্যয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারের নারী প্রধানদের অগ্রাধিকার দিয়ে এই সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও বিভিন্ন সহায়তা সহজে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে গত ১০ মার্চ পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রকল্প হিসেবে) এই কর্মসূচি চালু করা হয়। স্বল্প সময়ের মধ্যেই এর পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকার মনে করছে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে, অন্যদিকে সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।






