আসন্ন বর্ষায় সম্ভাব্য বন্যা ও প্লাবন পরিস্থিতি মোকাবিলায় কী কী আগাম প্রস্তুতি প্রয়োজন, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গৃহীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাগুলো প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে।
সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্প ‘খাল খনন কর্মসূচি’র অগ্রগতি নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। মন্ত্রী জানান:
দেশব্যাপী চলমান খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২৭ এপ্রিল যশোরে এবং ২ মে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
কৃষিকাজে সেচ সুবিধা বাড়ানো এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসনে এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় উপস্থিত ছিলেন:
-
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
-
বিশিষ্ট পানি বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত।
-
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
উল্লেখ্য, আজ দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয় দপ্তরে আসেন এবং এটিই ছিল সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক সভা।




