তিনি দাবি করেন ইরান ঐতিহাসিকভাবে কখনোই কোনো রাষ্ট্রকে আগে আক্রমণ করেনি এবং বর্তমানেও কাউকে আক্রমণ করার কোনো অভিপ্রায় তাদের নেই।
প্রতিটি পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বৈধ আত্মরক্ষা মাত্র। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, যেভাবে সাধারণ মানুষ আগ্রাসনের শিকার হলে রুখে দাঁড়ায়, ইরান একটি রাষ্ট্র হিসেবে ঠিক সেভাবেই নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট পশ্চিমা বিশ্বের দ্বিমুখী নীতির তীব্র সমালোচনা করেন:
বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালানোর জন্য তিনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেন এবং একে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন।
পেজেশকিয়ান এই পরিস্থিতিকে মানবাধিকারের ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের তথাকথিত ‘দ্বিমুখী নীতি’র জ্বলন্ত প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি ইরানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে পেজেশকিয়ান বলেন: বিশ্ববাসীর কাছে ইরানকে ‘যুদ্ধকামী রাষ্ট্র’ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভুল।ইরান কেবল তার সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় বদ্ধপরিকর এবং কাউকে তাদের সীমানায় হস্তক্ষেপ করতে দেওয়া হবে না।








