আটককৃত ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী এবং তিনি বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী।বেগম খালেদা জিয়া হলের সাধারণ সম্পাদক ফাতিমা তুজ জহুরা জানান, ওই ছাত্রী পারিবারিক সমস্যার কারণে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে কান্নাকাটি করছিলেন এবং ধুমপান করছিলেন। তবে ফয়জুন্নেসা হলের জিএস সুমাইয়া খানম অভিযোগ করেন, ওই কক্ষে মাদক বিক্রয় ও সেবনের ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল এবং এবার তা হাতেনাতে ধরা পড়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে ফয়জুন্নেসা হল প্রশাসন ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
-
আহ্বায়ক: হলের ওয়ার্ডেন অধ্যাপক সুলতানা আক্তার।
-
সদস্য: সহকারী আবাসিক শিক্ষক রাশেদা খাতুন, হল সুপারিনটেনডেন্ট নাদিয়া সুলতানা ও শাহনাজ আক্তার।
-
সদস্য-সচিব: হলের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. ইয়ার হোসেন।
নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে ওয়ার্ডেন মাদক উদ্ধার করেছেন। এ ধরনের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।” অন্যদিকে, প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম জানিয়েছেন, হল প্রশাসনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।







