হ্যারিস বলেন, “ট্রাম্প এমন এক যুদ্ধে জড়িয়েছেন যেখানে তাকে প্ররোচিত করেছেন নেতানিয়াহু। আমরা স্পষ্ট করে বলছি— এই যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ চায় না। এটি আমাদের সেনাদের অকারণে জীবনের ঝুঁকিতে ফেলেছে।”
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনায় যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে ডেমোক্র্যাট শিবিরের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের প্রতিফলনই হ্যারিসের এই বক্তব্য।
কমলা হ্যারিসের মন্তব্যের সরাসরি কোনো জবাব না দিলেও নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ইসরায়েলের প্রতি অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “মানুষ ইসরায়েলকে পছন্দ করুক আর না করুক, তারা জানে কীভাবে বিজয়ী হতে হয়। তারা প্রমাণ করেছে যে তারা আমেরিকার অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য এক মিত্র।”
তিনি আরও যোগ করেন যে, যুদ্ধের এই কঠিন সময়ে অন্য অনেকে পিছু হটলেও ইসরায়েল সাহসী, নির্ভীক ও বিশ্বস্ত থেকেছে। তারা সর্বস্ব দিয়ে লড়াই করতে জানে এবং জানে কীভাবে জয় ছিনিয়ে আনতে হয়।
ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যে অস্থিতিশীলতা চলছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে দুই রাজনৈতিক শিবিরে স্পষ্ট বিভাজন দেখা দিয়েছে। একদিকে রিপাবলিকানরা ইসরায়েলকে সর্বাত্মক সহায়তার পক্ষে, অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা আশঙ্কা করছেন এটি দীর্ঘমেয়াদী এবং অপ্রয়োজনীয় একটি আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।








