রাজস্থান-হায়দরাবাদ ম্যাচে রাজস্থান প্রথমে ২২৮ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে। ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী খেলেন মাত্র ৩৬ বলে ১০৩ রানের ঝড়ো ইনিংস, যা আইপিএলে দ্রুততম সেঞ্চুরিগুলোর তালিকায় অন্যতম। তবে এত বড় স্কোরও শেষ পর্যন্ত জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি, হায়দরাবাদ জয় তুলে নেয় ৫ উইকেটে।
অন্যদিকে দিল্লি-পাঞ্জাব ম্যাচে ঘটে আরও বড় নাটকীয়তা। দিল্লি ২৬৪ রানের বিশাল স্কোর করেও ম্যাচ হারায় ৬ উইকেটে। মাত্র ৭ বল হাতে রেখে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে পাঞ্জাব কিংস, যা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের নতুন রেকর্ড।
এই ম্যাচে আলাদা করে আলোচনায় আসেন লোকেশ রাহুল। তিনি খেলেন ৬৭ বলে ১৫২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস, যা আইপিএলে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। তার ইনিংসটি ছিল চার-ছক্কার ঝড়ের এক অনন্য প্রদর্শনী, যদিও অন্য প্রান্তে থাকা কয়েকটি দ্রুত ইনিংস মিলিয়ে ম্যাচটি আরও রূপ নেয় রান উৎসবে।
এদিন মোট পাঁচজন ব্যাটার অর্ধশতক করেন, যার মধ্যে ছিলেন নীতিশ রানা, প্রভসিমরান সিং, ইশান কিশান, শ্রেয়াস আইয়ার ও অভিষেক শর্মা। তাদের প্রত্যেকেরই স্ট্রাইক রেট ছিল চোখ ধাঁধানো।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, এমন ব্যাটিংবান্ধব কন্ডিশন, ছোট বাউন্ডারি ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দর্শনের কারণে আইপিএলে রান এখন নিয়মিতই আকাশছোঁয়া হচ্ছে। একদিনে ৯৮৬ রান সেই প্রবণতারই চূড়ান্ত উদাহরণ।
সব মিলিয়ে এই দিনটি আবারও প্রমাণ করেছে—কেন আইপিএলকে বিশ্বের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি লিগ হিসেবে ধরা হয়।








