যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়, নৌ অবরোধ কার্যক্রম বাস্তবায়নে ১০ হাজারের বেশি সেনা, ১৭টি যুদ্ধজাহাজ এবং শতাধিক বিমান অংশ নিচ্ছে। তাদের দাবি, বেশিরভাগ জাহাজই নির্দেশনা মেনে সমুদ্রপথ পরিবর্তন করেছে।
এই অবরোধকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বেড়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মত। এর আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সমুদ্রপথ।
ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ এবং নৌ অবরোধ আন্তর্জাতিক অর্থনীতিকে জিম্মি করার শামিল। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকারও এই পরিস্থিতিকে “আগ্রাসনমূলক নীতি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের নৌ অবরোধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।








