নাইট ফ্র্যাঙ্কের গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, শুধু বিলিয়নিয়ার নয়, উচ্চ সম্পদশালী (মাল্টি-মিলিয়নেয়ার) মানুষের সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে অন্তত ৩০ মিলিয়ন ডলার বা তার বেশি সম্পদের অধিকারী মানুষের সংখ্যা ৭ লাখ ১৩ হাজারের বেশি, যা ২০২১ সালের তুলনায় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা প্রধান লিয়াম বেইলি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও প্রযুক্তি খাতের দ্রুত বিকাশ ধনীদের সম্পদ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। তার মতে, প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণ এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক দ্রুত সম্ভব হচ্ছে।
বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে পারে। তেলনির্ভর অর্থনীতি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির কারণে মধ্যপ্রাচ্যে ধনীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একইভাবে ইউরোপের কিছু দেশেও এ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই সম্পদ বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্বে অর্থনৈতিক বৈষম্যও বাড়ছে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের অল্প সংখ্যক অতিধনী ব্যক্তি বৈশ্বিক সম্পদের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে, যা সামাজিক ভারসাম্যের জন্য উদ্বেগজনক।
আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম জানিয়েছে, গত বছর বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা রেকর্ড হারে বেড়েছে এবং তাদের সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণও কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আগামী বছরগুলোতে প্রযুক্তি, এআই এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রবাহ এই প্রবণতাকে আরও ত্বরান্বিত করবে, যা বিশ্ব অর্থনীতির কাঠামোতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।








