সূচক বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এক পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৯০ পয়েন্টে নেমে এসেছে। অন্যদিকে শরিয়াহ সূচক সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৬৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
লেনদেন পরিস্থিতিতে কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড় লেনদেন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮১৩ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ২২ শতাংশ বেশি। তবে এই লেনদেন বৃদ্ধি বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে পারেনি বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রকৌশল খাত লেনদেনে শীর্ষে রয়েছে, এরপর রয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাত, সাধারণ বীমা খাত, বস্ত্র খাত এবং ব্যাংক খাত।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, বড় কোম্পানির শেয়ারে বিক্রয়চাপ এবং করপোরেট আয়ের ঘোষণার অপেক্ষা—সব মিলিয়ে বিনিয়োগকারীরা এখন পর্যবেক্ষণমূলক অবস্থানে রয়েছেন।
তারা আরও বলেন, বাজারে মাঝে মাঝে ক্রয় প্রবণতা দেখা গেলেও তা স্থায়ী হচ্ছে না। ফলে স্বল্পমেয়াদে বাজারে ওঠানামা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।








