Search
Close this search box.

পুঁজিবাজারে বড় ধস, বাজার মূলধন কমল তিন হাজার কোটি টাকা

হাবিবা

ছবিঃ সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে দেশের পুঁজিবাজারে টানা অস্থিরতা বিরাজ করছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধবিরতির আলোচনা হলেও বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতি এখনো কাটেনি। এর ফলে সপ্তাহজুড়ে বাজারে সূচক প্রায় স্থবির থাকলেও বাজার মূলধনে বড় ধরনের পতন রেকর্ড করা হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারে ধারাবাহিক দরপতন হয়েছে। এর প্রভাবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মোট বাজার মূলধন এক সপ্তাহে কমে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬৩১ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহে ছিল প্রায় ৬ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকার বেশি। অর্থাৎ এক সপ্তাহে বাজার থেকে কমেছে ৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পদ।

সূচক বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এক পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৯০ পয়েন্টে নেমে এসেছে। অন্যদিকে শরিয়াহ সূচক সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৬৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

লেনদেন পরিস্থিতিতে কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড় লেনদেন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮১৩ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ২২ শতাংশ বেশি। তবে এই লেনদেন বৃদ্ধি বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে পারেনি বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রকৌশল খাত লেনদেনে শীর্ষে রয়েছে, এরপর রয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাত, সাধারণ বীমা খাত, বস্ত্র খাত এবং ব্যাংক খাত।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, বড় কোম্পানির শেয়ারে বিক্রয়চাপ এবং করপোরেট আয়ের ঘোষণার অপেক্ষা—সব মিলিয়ে বিনিয়োগকারীরা এখন পর্যবেক্ষণমূলক অবস্থানে রয়েছেন।

তারা আরও বলেন, বাজারে মাঝে মাঝে ক্রয় প্রবণতা দেখা গেলেও তা স্থায়ী হচ্ছে না। ফলে স্বল্পমেয়াদে বাজারে ওঠানামা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ