শিশুটি রাজবাড়ী সদর এলাকার দিনমজুর রিমন ব্যাপারী ও মিথিলা পারভীন দম্পতির সন্তান। বর্তমানে পরিবারটি পাবনা শহরের শালগাড়িয়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছে। সীমিত আয়ে চলা এই পরিবারটির জন্য চিকিৎসার ব্যয় বহন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, জন্মের পরই শিশুটির রোগ ধরা পড়ে এবং তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা চললেও আর্থিক সংকটে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়মিত চিকিৎসা চলছে।
পরিবারের আয় খুবই সীমিত হওয়ায় নিয়মিত ওষুধ ও চিকিৎসা খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। অনেক সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনতেও ব্যর্থ হচ্ছে পরিবারটি।
শিশুটির মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সন্তানকে বাঁচাতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন, কিন্তু অর্থের অভাবে চিকিৎসা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা কামনা করেছেন।
প্রতিবেশীরাও জানান, দ্রুত সহায়তা না পেলে শিশুটির জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তারা সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
শিশুটির চিকিৎসক জানান, এটি একটি জটিল জন্মগত রোগ এবং অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসা সম্ভব হলেও তা ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টি জেনে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।








