আন্দ্রাদা প্রথমে পুলিদোকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। রেফারি তৎক্ষণাৎ তাঁকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করেন।লাল কার্ড দেখার পর রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে আন্দ্রাদা পুনরায় পুলিদোর দিকে তেড়ে যান এবং তাঁর মুখে সজোরে ঘুষি মারেন।
এই ঘটনার পর দুই দলের খেলোয়াড় ও স্টাফদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়, যার রেশ গ্যালারিতে থাকা দর্শকদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রেফারিকে আরও কয়েকবার লাল কার্ডের ব্যবহার করতে হয়।
রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (RFEF) এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত সহিংস’ হিসেবে অভিহিত করে আন্দ্রাদার ওপর বড় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে:
-
মোট নিষেধাজ্ঞা: ১৩ ম্যাচ। (লাল কার্ডের জন্য ১ ম্যাচ এবং সহিংস আচরণের জন্য অতিরিক্ত ১২ ম্যাচ)।
-
আর্থিক জরিমানা: আন্দ্রাদার পাশাপাশি তাঁর ক্লাব রিয়াল জারাগোজাকেও বড় অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে।
ঘটনার পর শান্ত হয়ে নিজের ভুল বুঝতে পারেন এস্তেবান আন্দ্রাদা। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “আমি সেই মুহূর্তের উত্তেজনায় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। আমার এই আচরণের জন্য আমি লজ্জিত এবং দুঃখিত।” তিনি ব্যক্তিগতভাবে জর্জ পুলিদোর কাছেও ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গেছে।








