দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিন অভিযোগ করে আসছে যে, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে পশ্চিম তীরের অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বেশ কয়েকটি ইসরাইলি ফুটবল ক্লাব গড়ে তোলা হয়েছে।
এই ক্লাবগুলো ইসরাইল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (IFA) অধীনে তাদের ঘরোয়া লিগে অংশ নিচ্ছে, যা ফিফার নিজস্ব নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
সম্প্রতি ফিফা জানিয়েছে, তারা এই ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে না। ফিফার দাবি, ওই অঞ্চলের আইনি মর্যাদা এখনো ‘বিতর্কিত’, তাই এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।
পিএফএ ভাইস প্রেসিডেন্ট সুসান শালাবি এই সিদ্ধান্তকে ‘অন্যায়’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন:
“আমরা সব ধরণের প্রশাসনিক পথ অনুসরণ করার পর এখন ক্রীড়া আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি। ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের এই লড়াই চলবে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইসরাইলি হামলার কারণে গাজায় ফুটবল অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। শত শত ফুটবলার ও কর্মকর্তা প্রাণ হারিয়েছেন এবং সেখানে পেশাদার ফুটবল লিগ এখন পুরোপুরি স্থবির।
এখন সবার নজর কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্ট (CAS)-এর দিকে। এই আদালত যদি ফিলিস্তিনের পক্ষে রায় দেয়, তবে ফিফাকে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে। এর ফলে ইসরাইলি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বড় ধরণের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে, যা বিশ্ব ফুটবলেই এক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে।








