সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে—দরিদ্র নারীদের জন্য ভিজিডব্লিউবি কর্মসূচি, মা ও শিশু সহায়তা কার্যক্রম, নারীদের জন্য ক্ষুদ্রঋণ এবং নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য বাজারজাত করতে জয়িতা ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে হেল্পলাইন, ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার, ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টারসহ বিভিন্ন সেবা চালু রয়েছে।
তিনি বলেন, মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রসবপূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, টিকা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এছাড়া নারীদের জন্য প্রশিক্ষণ, জীবিকা সহায়তা এবং উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ জোরদার করার কথাও জানান তিনি। শহর ও গ্রামে আলাদা মডেলে এসব কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
শিশুদের উন্নয়নেও সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিশু একাডেমির মাধ্যমে সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা, চলচ্চিত্র নির্মাণসহ নানা কার্যক্রম চলছে। পথশিশুদের জন্য আবাসন, শিক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধাও দেওয়া হচ্ছে।
কর্মজীবী মায়েদের শিশুদের জন্য দেশে ৬৪টি দিবাযত্ন কেন্দ্র চালু রয়েছে, যেখানে খাবার, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে কর্মস্থলেও ডে-কেয়ার ও ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নারীদের জন্য বিশেষ প্রকল্প চালু রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এই প্রকল্পের আওতায় হাজারো নারীকে প্রশিক্ষণ, জীবিকা সহায়তা এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নদীভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলোতে বাঁধ সংস্কার ও সুরক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং জনগণের জানমাল রক্ষায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।







