নিহত মনিকার বাবা মোহাম্মদ আলী জানান, এক বছর আগে কুজাইল গ্রামের সুজন মণ্ডলের সঙ্গে মনিকার বিয়ে হয়। পরবর্তীতে জটিলতা সৃষ্টি হলে ভাসিলা গ্রামের সাদিকুল মনিকাকে বিয়ে করেন। দুই পরিবারের সমঝোতায় তাঁদের সংসার চলছিল।
নিহতের বাবার দাবি, বিয়ের পর থেকেই সাদিকুল যৌতুক হিসেবে একটি মোটরসাইকেল দাবি করে আসছিলেন। মোটরসাইকেল দিতে না পারায় তাঁর মেয়েকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
অভিযুক্ত স্বামী সাদিকুল দাবি করেন, সকালে নাস্তা খাওয়ার পর তিনি বাইরে গেলে মনিকা ঘরের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেন। তাঁদের মধ্যে কোনো বিরোধ ছিল না বলেও তিনি দাবি করেন।
উপজেলার মহব্বতপুর গ্রাম থেকে মাসুদ (৩২) নামে এক ট্রলিচালকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মজিবরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহ ও স্ত্রীর প্রতি অভিমান থেকে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মাসুদের প্রথম স্ত্রীকে স্থানীয় বাবলু মিয়া নামে এক ব্যক্তি প্রবাসে পাঠান, যার জেরে বিচ্ছেদ ঘটে। পরবর্তীতে মাসুদ দ্বিতীয় বিয়ে করেন।
বাবলু মিয়া মাসুদের দ্বিতীয় স্ত্রীকেও প্রবাসে পাঠানোর প্রলোভন দেখালে মাসুদ তাতে বাধা দেন। স্ত্রী তাঁর কথা না শোনায় ক্ষোভে ও অভিমানে রাতের কোনো এক সময় তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোত্তাদুল হোসেন জানান, একই দিনে উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে একজন নারী ও একজন পুরুষের আত্মহত্যার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে।বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






