জানা গেছে, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা তুলে ধরে একটি সতর্কতামূলক চিঠি পাঠানো হয়। এর পরপরই বিমানবন্দরগুলোতে উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পোশাকধারী ও সাদা পোশাকের অতিরিক্ত নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অ্যারাইভাল ও ডিপারচার উভয় ক্ষেত্রেই তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে এবং সন্দেহজনক কিছু দেখা গেলে তাৎক্ষণিকভাবে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বেবিচকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো হুমকির তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে আগাম সতর্কতা হিসেবে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যেসব বিমানবন্দরে রাতে ফ্লাইট চলাচল কম বা নেই, সেখানেও রাতের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে সমন্বিত হামলার পরিকল্পনা করতে পারে—এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে জাতীয় সংসদ, সামরিক ও পুলিশ স্থাপনা, উপাসনালয় ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
এই পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নজরদারি বৃদ্ধি, গোয়েন্দা তথ্য সমন্বয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছে।







