Search
Close this search box.

মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলা: ঢাবি শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীর জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

অহনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলায় অভিযুক্ত একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল, ২০২৬) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শুনানি শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালতে আজ এই গুরুত্বপূর্ণ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়:

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক কাজী ইকবাল হোসেন আসামিকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান।

 আসামিপক্ষের আইনজীবী ফুল মোহাম্মদ তাঁর জামিন চেয়ে আবেদন করলেও আদালত অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় তা নামঞ্জুর করেন।এদিন সুদীপ চক্রবর্তীকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় আনা হলেও শুনানির সময় সরাসরি এজলাসে তোলা হয়নি।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী:

গতকাল রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে উত্তর বাড্ডা এলাকা থেকে সুদীপ চক্রবর্তীকে আটক করা হয়।পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ওই শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনার সাথে শিক্ষকের জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং প্রয়োজনে ভবিষ্যতে রিমান্ডে নেওয়ার সুযোগ রেখে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উত্তর বাড্ডার বাসা থেকে মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর একটি চিরকুট উদ্ধার করে পুলিশ, যা এই মামলার মূল ভিত্তি। চিরকুটে মিমো লিখেছিলেন:

“সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া…।”

এই চিরকুটে উল্লেখিত আর্থিক লেনদেন ও ব্যক্তিগত মানসিক চাপের বিষয়টিকেই আত্মহত্যায় প্ররোচনার কারণ হিসেবে দেখছেন তদন্তকারীরা।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ