-
দর্শন বিভাগ: আতিয়া সাকেরা সহীহ ও মো. আলমগীর হোসেন।
-
ইতিহাস বিভাগ: লতিফা খাতুন ও মাহফুজা সুলতানা মুক্তা।
-
ইংরেজি বিভাগ: মো: আসাদুজ্জামান রাফি।
-
বাংলা বিভাগ: সাবরিনা মমতাজ রিপা ও পলি রানী।
-
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি: মোছা. ফাতেমা নাসরিন।
-
আরবী ও ইসলামিক স্টাডিজ: মো. মাহমুদুল হাসান (আরবী) ও উম্মে হাবিবা (ইসলামিক স্টাডিজ)।
-
অন্যান্য বিভাগ: অনিন্দিতা আলমগীর (সংগীত), মেফতাহুন নাহার (নাট্যকলা), খায়রুন নাহার আলো (ফারসি ভাষা ও সাহিত্য), জাকিয়া সুলতানা ও মনিরা আক্তার (সংস্কৃত) এবং মনিজা আক্তার (উর্দু)।
পুরস্কার পাওয়ার পর অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী অনিন্দিতা আলমগীর বলেন, “আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ যে আমার পরিশ্রম সফল হয়েছে। আমার এই অর্জনের পেছনে বাবা-মা এবং শিক্ষকদের অবদান অপরিসীম।”
কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই অর্জন অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা। যারা এবার পুরস্কার পায়নি, তারা যেন নিরাশ না হয়ে কঠোর অধ্যবসায় চালিয়ে যায়।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ার দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়:
উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মাঈন উদ্দিন বলেন, ডিনস্ অ্যাওয়ার্ড মূলত একটি মোটিভেশনাল প্রোগ্রাম। কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্য থাকলে যেকোনো কঠিন কাজ সহজ হয়ে যায়।
বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাঁদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়ন ও মানবসম্পদ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।







