প্রাথমিক তথ্যে কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে সুনামির কোনো আশঙ্কাও নেই বলে নিশ্চিত করেছে জাপান আবহাওয়া দপ্তর। তবে শক্তিশালী ঝাঁকুনির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস ও বড় পাথর পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
ভূমিকম্পের প্রায় এক ঘণ্টা আগে হোক্কাইডোর দক্ষিণাঞ্চলে আরও ৫ মাত্রার একটি কম্পন অনুভূত হয় বলেও জানানো হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও আফটারশক বা পরবর্তী কম্পনের সম্ভাবনা রয়েছে, তাই সতর্ক থাকতে হবে।
এর আগে গত সপ্তাহেই হোক্কাইডোর আইওয়াত এলাকায় ৭.৭ মাত্রার আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। সেই ঘটনায় কয়েকজন আহত হন এবং রাজধানী টোকিওসহ দূরবর্তী এলাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছিল।
ভৌগোলিকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থানের কারণে জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। প্রায় ১২ কোটি ৫০ লাখ জনসংখ্যার এই দেশে বছরে গড়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০টি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়।







