মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মার্চ কুষ্টিয়া সদরের একটি মসজিদে জুমার খুতবার আগে আলোচনা চলাকালে তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ হিসেবে উল্লেখ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের করা হয়।
২ এপ্রিল অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর কর্নেল আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। এরপর আদালত তাকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করে। তবে তিনি নির্ধারিত সময়ে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এর আগে বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে বিতর্কিত ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল বলে জানা গেছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা চলমান।
বর্তমানে হাইকোর্টে জামিন আবেদনকে ঘিরে তার আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে। শুনানির ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে তার পরবর্তী আইনি অবস্থান।







